Showing posts with label Bangla Topic. Show all posts
Showing posts with label Bangla Topic. Show all posts

Wednesday, October 26, 2011

আমি এক পরাজিত সৈনিক


এই পোষ্টটি পড়লে আপনার কণ্ঠ নিস্তব্দ হয়ে যাবে।
মাথা নিচু হয়ে যাবে । বেচে থাকার ইচ্ছা অপনার শেষ হয়ে যাবে।এই পোষ্ঠটি পড়ুন এবং একটু ভাবুন তো যদি আমাদের করও জীবনে যদি এমন ঘটনা ঘটত।
জীবন যুদ্ধে আমি এক পরাজিত সৈনিক সকলের ঘৃণার পাত্র সকলের কাছে আজ আমি এক অবাঞ্চিত ব্যক্তি সকলের খেলনার পুতুল সকলের ষড়যন্ত্রে নিষ্পেষিত আমি আজ সমাজের এক দুষ্টগ্রহ সমাজের চক্ষুশুল ব্যক্তি

পিতার স্নেহ , মায়ের মমতা , ভাই-বোনদের অবজ্ঞা , ভাবীদের ঘৃণা , বন্ধুদের ষড়যন্ত্র , প্রেমিকা-বান্ধবীদের প্রতারনা , শুভাকান্খীদের ছলনা , প্রতিবেশীর তিরস্কার , সমাজের লাঞ্চনা , এলাকার হেয়কার , দশের বাহির , দেশের গণনাহীনতায় আজ আমি অসহায়
ভীষন পিপাসার্ত , হৃদয় আমার জর্জরিত , শরীরের তাবৎ গীটগুলো লালাহীন , প্রতিটি শিরা উপশিরায় ব্যর্থতার ছাপ সুস্পষ্ঠ , আত্মগ্লানীতে সমগ্র শরীর আজ বিষাদময় কন্টকে আবৃত

আজ আমাকে দেখলেই পিতার স্নেহ জাগে স্বকরুন ভাবাবেগে মায়ের মমতা নাড়া দেয় তার হৃদয়খনির অবাঞ্চিত স্থান থেকে ভাই-বোনদের অবজ্ঞা তাদের কপালের রেখায় প্রস্ফুটিত হয় ভাবিদের ঘৃনা ভেসে উঠে মুখে রক্তজবার ন্যায় বন্ধুদের ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার লাভ করে আপাদমস্তক প্রেমিকা-বান্ধবীরা প্রতারণা করতে সুযোগ খুঁজে শুভাকান্খীদের ছলনা তীব্রবেগ ধারণ করে প্রতিবেশীরা তিরস্কারে উদ্যত হয় সমাজ দান করে লাঞ্চনা এলাকাবাসী হেয় মনে করে দশজনের বাহিরে আসন পাতা হয় আমার দেশের আদমশুমারীতে গণনার বাইরে রাখে আমায়
আজ আমাকে দেখলেই ভাবীরা শব্দ করে ঘরের কপাট বন্ধ করে বোনেরা অপরিচিত রূপ ধারণ করে ভাগ্নে-ভাগ্নি মামা বলে স্বীকার করতে কষ্টবোধ করে চাচা-চাচী ভিন্ন চোখে জরীপ করে ভাতিজা-ভাতিজী চাচা বলতে সংকোচবোধ করে আত্মীয়-স্বজন পরিচয় গোপন করে মুখ ফিরায় প্রিয়জন মুখের উপর থুথু নিক্ষেপ করে প্রেমিকা প্রেমের প্রতিদান চায় সম্পদের জয়কারে
কিন্তু আমকে কেউ চায় না চায় আমার কাছ থেকে যার যার রুচি মোতাবেক উদ্দেশ্য সাধনের সুযোগ এটাই আমর বিগত জীবনের চাওয়া পাওয়ার খতিয়ান তীক্ষ্ন অথচ ক্ষুদ্র , কম অথচ বিস্তর , পরীক্ষা গ্রহণ করে জীবনের অনেকগুলো বৎসর পেরিয়ে বহমান জীবনের সুদীর্ঘ পথ অতিক্রান্ত করে সকলের কাছ থেকে এতটুকু সম্পদই সঞ্চয় করতে পেরেছি
তবে যদি আমি প্রত্যেক বিষয়ে পাহাড়ের মত অটল , স্রোতস্বিনী নদীর ন্যায় গতিময় হতে পারতাম যদি পারতাম - বজ্রের ন্যায় হুঙ্কার ছাড়তে , হাতির ন্যায় শরীর নিয়ে লড়তে , বাচালের ন্যায় কথা বলতে , রাক্ষসের ন্যায় ভক্ষণ করতে , বানরের ন্যায় যত্রতত্র থাবা মারতে , নির্লজ্জের ন্যায় বেহায়া হতে , অভদ্রের ন্যায় গর্জাতে , ভিখারীর প্রসারিত হাতকে লাথ্থি মেরে গুড়িয়ে দিতে , ভুখাদের কুড়ানো ভাতের থালা দরজা বন্ধ করার ছলে ধাক্কা মেরে ছিটিয়ে ফেলে দিতে , অসহায়দের পাতানো হাতে থুথু দিতে , এতিমদের তাবৎ সম্পদ ভোগ করতে - তবে হয়তো প্রতিষ্ঠা পেতাম সমাজের এক আদরনীয় ব্যক্তি ব্যক্তিত্ব হিসাবে বসার সুযোগ পেতাম সমাজের প্রতিটি স্তরে নাম লেখাতে পারতাম তথাকথিত ভদ্রলোকদের ন্যায় ভদ্রতার কাতারে রাস্ট্রীয় গণনায় নাগরিক হিসাবে পরিচিত হতে পারতাম পারতাম উঁচুতলার মানুষদের বিলাসী জলসায় শামিল হতে হতে পারতাম এলাকার বা দেশবাসীর মাথার মুকুট
কিন্তু না , তা আমি হতে পারিনি মনের অবাঞ্চিত দৃষ্টিকোণ থেকেও আসে সে সবে নিষেধাজ্ঞা অপারগ আমি তাতে তাই আজ তেমন তেমন হওয়া থেকে দূরে আমি সমাজের নীতির কাছে আমার জীবননীতি আজ পরাজিত বর্তমান মানবতাবিধ্বংসী সমাজনীতির কাছে পরাজিত হয়ে আমি আজ সমজ থেকে অনেক দূরে
জীবনের সর্বক্ষেত্রে , সমাজ থেকে , সমাজের লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন আজ আমি আজ আমি হয়েছি এক জীবনযুদ্ধে পরাজিত সৈনিক দূর্বীসহ জীবন নিয়ে অসুস্থ সমাজে বিচরণ আমার হাঁফিয়ে উঠেছি কলুষতায় আচ্ছন্ন সমাজের করিডোরে দূর্বীসহ জীবনের ধারক আমি এই জীবন থেকে মক্তি চাই চাই নির্মল সুস্থ সমাজের একজন সদস্য হতে
লেখা--মুহাম্মদ জাকারিয়া, শাহনগরী

Sunday, October 23, 2011

জরায়ু প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে পাওয়া যচ্চে মাতৃত্ব।

মানবদেহে এবার প্রতিস্থাপিত হয়েছে জরায়ু। আর এই প্রতিস্থাপিত জরায়ুর মাধ্যমে মা হতে পারবেন সন্তানহীন দম্পতিরা। সম্প্রতি সুইডেনের গোথেনবার্গ ইউনিভার্সিটির অবস্ট্রেটিকস গাইনোকলজির অধ্যাপক এবং বিশেষজ্ঞ ম্যাটস ব্রানস্ট্রোমের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার একটি হাসপাতালে জরায়ু প্রতিস্থাপনের সফল অস্ত্রোপচারটি করা হয়েছে। তবে এই জরায়ুর মাধ্যমে মাতৃত্ব লাভ প্রকৃত
অর্থেই
সম্ভব কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছর পর্যন্ত। কারণ, জরায়ু প্রতিস্থাপন করা প্রথম নারী মেল আর্নল্ডের সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছর তিনি মা হবেন। তিনি এবং তার স্বামী অ্যান্ড্রু ১২ বছর ধরে সন্তানের জন্য বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা নেবার পর অবশেষে এই পথ বেছে নিয়েছেন।

একটি
হাসপাতালের সেবিকা মেল আর্নল্ডের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর বিয়ে হয় ১২ বছর আগে। কিন্তু মেলের পক্ষে মা হওয়া সম্ভব ছিল না। কারণ, মেলের জন্মের পর চিকিত্সকরা জানিয়েছিলেন তার কোনো জরায়ু নেই। জরায়ু ছাড়াই জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কিন্তু তার দেহে ডিম্বাশয় ছিল। ১২ বছর বিভিন্ন প্রচেষ্টার পর তারা যান অধ্যাপক ম্যাটস ব্রানস্ট্রোমের কাছে। তখন ডা. ম্যাটস মেলের মায়ের জরায়ু নিয়ে মেলের দেহে প্রতিস্থাপন করেন। এখন মেল সন্তানসম্ভবা। আগামী বছর তিনি জন্ম দেবেন তাদের প্রথম সন্তান। এই প্রসব সফল হলে মেল হবেন প্রথম নারী, যিনি জরায়ু প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে মাতৃত্ব লাভ করবেন।
সূত্র : বিবিসি

একটি পুঁতির জীবন কাহিনি ( ২২ বছর পর তাহার সন্ধান)

কানের ভিতর থাকা পুতির সন্ধান পওয়া গেল ২২ বছর পর।


যেভাব কানে পূঁতি ঢুকেছিল।
১৯৮৬ সালে ১১বছর বয়সে বান্ধবীর সঙ্গে খেলাচ্ছলে দুষ্টুমি করে তারই গলার ছিঁড়ে যাওয়া লাল রঙের পুঁতির মালার একটি পুঁতি ডান কানের ভেতর ঢুকিয়ে দিয়েছিল। কানে পুঁতি ঢোকার বিষয়টি তখন সবাইকে বলেছেন রাশেদা। কারণ কানে পুঁতি ঢোকার জন্য কানে ব্যথা হচ্ছিল, কান বন্ধ হয়ে ছিল। প্রথমে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক পুঁতিটি বের করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অবস্থায় তখন তাকে নিয়ে যাওয়া হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে তার কান থেকে পুঁতি বের করার কথা বলা হলেও বের করা পুঁতিটি দেখানো হয়নি।
বলা হয়েছিল বের করার সময় পুঁতিটি ভেঙ্গে গিয়েছে তাই দেখানো সম্ভব হয়নি। ফলে মনের সন্দেহ পুরোপুরি দূর হয়নি রাশেদার। তারপর থেকে কান ভাল না হয়ে কিছুদিন পর থেকে তার ডান কান পেকে গিয়ে পুঁজ পড়তে থাকে এবং ফলে হ্রাস পেতে থাকে শ্রবণশক্তিও। ইতোমধ্যে বিয়ের পর দুই মেয়ে এক ছেলের মা হয়েছেন রাশেদা। কানের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ ২২ বছরে বহু নাক কান গলা বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। খুঁজে না পাওয়া সেই লাল পুঁতিটি যে কানেই থাকতে পারে এমন সন্দেহের কথা রাশেদা কাউকেই কখনো বলেন নি। কারণে কান দিয়ে পুঁজপড়া, শ্রবণশক্তি হ্রাসের চিকিৎসা হলেও কানের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া লাল রংয়ের সেই পুঁতিটি খোঁজেন নি কোন চিকিৎসকই। অবশেষে ২০০৮ সালে অধ্যাপক জিল্লুর রহমানের শরণাপন্ন হলে তিনি রাশেদাকে অপারেশনের পরামর্শ দেন কানপাকা রোগের জন্য। অপারেশনের পর পুঁতি বের হওয়ার কথা শুনে রাশেদা মোটেই অবাক হন নি। সহজেই ২২ বছর পরও চিহ্নিত করতে পেরেছেন কানের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া পুঁতিটিকে। পুঁতিটি বর্হিবর্ণ থেকে মধ্যকর্ণে যেয়ে ক্রমাগত ইনফেকশনের সৃষ্টি করেছে। আর সেই ইনফেকশন ওষুধে না সারার কারণে অপারেশন করতে যেয়ে ফিরে পাওয়া গেল হারিয়ে যাওয়া লাল পুঁতিটিকে

চট্টগ্রামের
পাঁচলাইশ এলাকার রাশেদা বেগমেরও কানপাকা রোগ। ছোটবেলা থেকেই ডানকানে তার এই সমস্যা। প্রায়ই কান দিয়ে কষ ঝরে, পুঁজের মত পড়ে। প্রথম দিকে স্থানীয় চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করা হল। দেয়া হল রাজ্যের ওষুধ। কিন্ত তেমন কোন লাভ হল না। রোগ একটু কমে কিন্তু আবার কান দিয়ে পুঁজ পড়ে। এবার চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম যাত্রা। সেখানে বড় নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ দেখান হল। চিকিৎসা দেয়া হল। চিকিৎসার জন্য এত তোড়জোড়ের কারণ হল, কিছুদিনের মধ্যেই রাশেদার বিয়ে হবে। বিয়ের আগে কানপাকা রোগ সারাতে হবে। এবার এন্টিবায়োটিকসহ নানা ধরণের ড্রপ মলম দেয়া হল কানে। যাত্রা কান কিছুটা শুকালোও বটে।
যা
হোক বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরও কানের অস্ব¯স্তি কাটেনি রাশেদার। কিন্তু শ্বশুড় বাড়িতে নিজের কানের রোগের বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কান খারাপ হলে লুকিয়ে লুকিয়ে পুরোনো প্রেসক্রিপশন অনুসরণ করে ওষুধ খেতেন, কানে দিতেন। এভাবেই কেটে যায় আরো / বছর। ইতোমধ্যে রাশেদা সন্তানের মা হয়েছেন। দৈনন্দিন জীবনের সব কাজকর্মই করছেন কিন্তু নিরবে সহ্য করে চলেছেন ডান কানের যন্ত্রণা। যতই দিন যাচ্ছে কান নিয়ে তিনি যেন আর পারছেন না। আজকাল কানের ব্যথা বেজায় বেড়েছে। কানটা ভারি হয়ে থাকে। কান দিয়ে পুঁজ পড়ে। সেই সাথে কান কম শোনাও যোগ হয়েছে।
অবস্থা যখন অনেক খারাপ হয়ে যায় তখন আর বিষয়টি চাপা থাকে না। প্রথমেই স্বামীর নজরে আসে বিষয়টি। তবে স্বামীকে রোগের দীর্ঘ ইতিহাস সম্পর্কে কিছু বলেন নি। স্বামী তাকে নিয়ে আবারও চট্টগ্রাম আসেন ভাল চিকিৎসার আশায়। এদিকে চট্টগ্রামে প্রতি শুক্রবার ঢাকা থেকে রোগী দেখতে আসেন নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জিল্লুর রহমান। রাশেদাকে নিয়ে অধ্যাপক জিল্লুরের কাছে আসেন তার স্বামী। রাশেদাকে পর্যবেÿ করে রোগ বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন অধ্যাপক জিল্লুর। সব প্রশ্নেরই কোন না কোন উত্তর দিলেও রোগটি কতদিনের? গ্রাম্য মেয়েলী লাজুকতায় এই প্রশ্নের উত্তর সহজেই এড়িয়ে যেতে সামর্থ হন রাশেদা। পরীÿক্ষা নিরীÿক্ষার পর সিদ্ধান্ত হয় রাশেদার ডান কানে অপারেশন লাগবে। ওষুধে সারবে না। কানের মধ্যকার গাঠনিক কোন কিছুই স্পষ্ট করে চেনা যাচ্ছিল না বলে অপারেশন করার সিদ্ধান্ত দিলেন অধ্যাপক জিল্লুর রহমান। আর অপারেশন করতে আসতে হবে ঢাকায়। কারণ অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় যান্ত্রিক লোকবল কোনটাই চট্টগ্রামে তখন ছিল না।


অবশেষে ২০০৮ সালের অক্টোবরে মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় অপারেশনের জন্য আসেন রাশেদা। অধ্যাপক জিল্লুর রহমান কান পাকা রোগের চিকিৎসা হিসাবে মডিফাইড বা রেডিক্যাল ম্যাসটয়েডকেটমী ধরণের কানের অপারেশনের পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী অপারেশন করতে যেয়ে প্রথমে বর্হিকর্ণ দিয়ে মধ্যকর্ণে ঢুকে লাল রঙের দানাকৃতির কিছু একটা মাইক্রোস্কোপের নিচে দেখতে পান তিনি। জিনিসটি বেশ শক্ত বলেও মনে হয়। কিন্তু আশেপাশের ঝিলিø সাথে এতটাই শক্তভাবে গেঁথে আছে যে কোনভাবেই সেটিকে আলাদা করা যাচ্ছিল না। এভাবে বের করতে গিয়ে সফল না হয়ে কানের পেছন দিকে দিয়ে মধ্যকর্ণে ঢুকে সেখান থেকে অপারেশন করে লাল ¯Íটি বের করে আনেন। পরিষ্কার করার পর দেখা গেল লাল ¯Íটি একটা পুঁতি। সাধারণত মালা তৈরীতে ধরণের পুঁতি ব্যবহৃত হয়। পুঁতিটি বের করার পর কান পাকা রোগের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে যান অধ্যাপক জিল্লুর। পুঁতিটি মধ্যকর্ণে থাকার জন্য আশেপাশে বারবার প্রদাহ হয়েছে। ইনফেকশন হয়েছে, হয়েছে আরো কিছু পরিবর্তন। যার ফলে কানের এই অবস্থা। যা কখনোই ওষুধে সারত না। পুঁতি বের করার পর কানের ভেতরের সমস্ত ময়লা বের করে সেখানকার ছোট ছোট হাড় পূনর্নির্মানসহ (ওসিকুলোপ্লাস্টি) কানের পর্দা জোড়া লাগিয়ে (ম্যারিংগোপ্লাস্টি) দেয়া হল। অপারেশন সম্পূর্ণ অজ্ঞান না করে শুধুমাত্র ডান কান অবশ করেই করা হয়েছে। কাজেই অপারেশনের সময় ডাক্তারদের সব কথাই শুনছিলেন রাশেদা। পুতিঁর কথা শুনতে শুনতে তারও মনে পড়ে যায় ছোট বেলায় কানের মধ্যে ঢুকে যাওয়া, হারিয়ে যাওয়া সেই পুঁতির কথা।
কানের
মধ্যে পুঁতি: পেছন ফিরে দেখা

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More