Showing posts with label Bangla News. Show all posts
Showing posts with label Bangla News. Show all posts

Thursday, December 1, 2011

বিশ্বের এই প্রথম সেক্স এর স্কুল প্রর্দশিত হল অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।

বিশ্বের এই প্রথম সেক্স এর স্কুল খোলা হল অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়। পরে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। অনেক প্রতিবন্ব্ধকতা কারী এটা বন্ধ করার চেষ্ঠা করেও পারে না।এই স্কুল নিয়ে অস্ট্রিয়ায় এরই মধ্যে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। স্কুলে ভর্তি-সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনটি এরই মধ্যে অস্ট্রিয়ার টেলিভিশনে প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিজ্ঞাপনে এক দম্পতির আবেগঘন ছবি ব্যবহার করায় বিতর্ক আরও প্রবল হয়ে উঠেছে।
লন্ডনের ডেইলি মেইল পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে বলা হয়, ভিয়েনায় অবস্থিত ‘অস্ট্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল সেক্স স্কুল’ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে

ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এক হাজার ৪০০ পাউন্ড করে নেওয়া হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক মারিয়া থমসন বলেন, প্রায়োগিক যৌন জ্ঞান অর্জনের জন্য ১৬ বছরের বেশি বয়সের যেকোনো ব্যক্তি এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারেন।
প্রধানশিক্ষিকা Ylva-মারিয়া থম্পসন বলেছেন, 16 বছরের বেশী যে কেউ বিশ্বের প্রয়োগ যৌনতা এই স্কুলে নথিভুক্ত হতে পারবে।
স্কুল থেকে ছাত্র/ছাত্রীদের মিশ্র লিঙ্গের যৌন অনুশীলনের জন্য বাড়িতে কাজ দেওয়া হয়।
এবং কোর্স শেষে, তাদের একটি যোগ্যতা ভূষিত করা হয়.
নতুন স্কুল নির্মাতা বলেছেন, আমাদের মূল শিক্ষা হল তাত্ত্বিক না খুব বাস্তব, কিভাবে ভাল প্রেমিক হতে হয় কিভাবে, যৌন অবস্থানে সোহাগপূর্ণ কৌশল অবলম্বন করতে হয়। শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং সমাপ্ত কোর্সের ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।.

আগামি 5 মিনিট এই পোস্ট আপনাদের সবাইকে স্তব্ধ করে দেবে !


এই পোস্ট ফেসবুকের এক আপুর লেখা । সম্পূর্ণ লেখাটি কপি পেস্ট করলাম ।(দয়া করে পোস্ট টা পড়েন, ভাল না লাগলেও পড়েন।)
এটি কোন ওয়ালপেপার বা ক্র্যাক সফটওয়্যারের টিউন নয় । এটি এমন একটি পোস্ট যা পড়ে একজন মানুষ সঠিক পথের সন্ধান পাবেন। 
 এই নোট পড়ে খারাপ লাগলে নির্দ্বিধায় আমাকে আনফ্রেন্ড করতে পারেন
আমার ভেতর থেকে প্রচন্ড তাগিদ না পেলে আমি লিখতে বসিনা। ওটা আমার কাজও না। ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতেও আমার আপত্তি নেই যতটা আপত্তি এই লিখার ক্ষেত্রে। এই লিখা যখন লিখছি তখন প্রচন্ড রাগে
আমার গা জ্বলছে।
আমি এত ভূমিকা না করে সরাসরি আসল কথায় আসি। স্পা না করলে কি মেয়েরা মরে যাবে? বাঙ্গালী মেয়ারা যথেষ্ঠ রূপবতী। এই রূপ গত কয়েক বছরে ধুম করে জেগে ওঠেনি। তারা আগেও রূপবতী ছিল এখনো আছে। আমি জানিনা যে স্পা তে এমন কি আছে যে তার রূপে এমন
বিশেষ কিছু অ্যাড করবে যা না থাকলে তার জীবন চলবেনা? যার কারনে অন্য একজন মানুষের সামনে আধা নগ্ন হয়ে body message করাতে হবে। লজ্জা শরমের মাথা কি কাঁচাই খেয়ে ফেলছি আমরা?


আমাদের মায়েরা ,দাদীরা,নানীরা তো কোনদিন এইসব করেনি। তাতে কি আমাদের বাবারা, নানারা,দাদারা তাদের ছেড়ে চলে গেছে? না তাদের বিয়ে হয়নি? কি ক্ষতি হয়েছে তাদের যারা নিজেদের অন্যের সামনে কাপড় খুলে শরীর মর্দন করান নি?
আমি নিজে মেয়ে মানুষ। আমি খুব ভাল করেই জানি মেয়েরা এত সাজ গোজ কেন করে। খুবই সিম্পল উত্তর। মানুষ তাদের দিকে তাকাবে , প্রশংসা করবে। কার না ভাল লাগে প্রশংসা শুনতে! আমারো ভাল লাগে।কিন্তু আপারা দুনিয়ায় খালি আমরা মেয়েরাই নাই। আমাদের ভাইরাও আছে। সৃষ্টিগতভাবে যারা আপনাদের উপর এবং আপনারা তাদের উপর দূর্বল। কিন্তু এইটা ভাইদের ক্ষেত্রে একটু না অনেক বেশি। এই কথাগুলা বলতে আমার খুবই খারাপ লাগে। অনেক বেশি লজ্জা লাগে এই জন্য যে এত ব্যাখ্যা করে আমার বোনদেরকে এসব আমার বলতে হয়। আমি বাংলায় এসব লিখতে পারবনা।
Most of the man gets sexually aroused when---
আপনি টাইট ফিটিং কাপড় পরেন।
আপনি ওড়না পরেন না/ গলায় ঝুলায় রাখেন/ একপাশে ঝুলায় রাখেন।
আপনি যখন অর্ধস্বচ্ছ কাপড় পরেন।
আপনার পেট/পা/পীঠ যখন দেখা যায়।
আপনি যখন ঠোঁট রাঙ্গান।
আপনি যখন চোখে স্মোকি সাজ পরেন।
আরও শত শত কারন থাকতে পারে।
কি ? মনে হচ্ছে যে ছিঃ ছিঃ ছেলেরা এত খারাপ! তাইনা? The fact is that they are CREATED like this. Do you understand my dear sisters? THEY ARE CREATED BY ALLAAH LIKE THIS.
শুধু আল্লাহ্‌র ভয়/সমাজের ভয়/ ভালত্ব/ সুস্থ বিবেক আছে দেখেই এখনো কোন ভাই এই ধরণের আপাদের রাস্তায় ধরে কষে কষে কয়েকটা চড় বসান নি।[আলহামদুলিল্লাহ। এই বিপদ আমার উপর আসার আগেই আল্লাহ্‌ আমাকে রক্ষা করেছেন।একবার কি হল, তখনো আমি ঠিকমত হিজাব করিনা, মাথায় একটু আধটু কাপড় দেই। একদিন প্রচন্ড গরমের মধ্যে ক্লাসে গেছি। মাথায় কাপড় দেইনি। আমাদের সাথে সিনিয়র অফিসাররাও ক্লাস করতেন। এঁদের মধ্যে একজন ভাই পুরো ক্লাসের মধ্যে আমাকে এমন ঝাড়ি দিলেন! টিচার ছিল, সব স্টুডেন্ট ছিল। আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম, ক্লাস থেকে বের হয়ে গেছি। অনেক কান্নাকাটি করেছি। ভাইয়া আমাকে বলেছিলেন, "The Jews know our scriptures better than us, but they do not follow.[Inspite of knowing about hijab you don't wear it properly,so] Do you think you are better than that Jew?" এই একটা কথা আমার ভেতরটা কাঁপিয়ে দিয়েছিল। আমি বলেছিলাম হিজাব পরলে আমার কষ্ট হয়, দম বন্ধ হয়ে যায়, এ সি রুমেও ঘামতে থাকি। উনি বললেন, " Did you ask Allaah to help you with this?" আসলেই তো, যার জন্যে হিজাব করছি তাঁর কাছেই তো সাহায্য চাইনি। আমি আর কোন উত্তর দিতে পারিনি ভাইয়াকে। উনি ঠিক কথাই বলেছিলেন আমাকে। হয়ত রুক্ষভাবে বলেছেন,কিন্তু ওই সময় আমার জন্য ওগুলো থাপ্পড়ের কাজ করেছে, আল'হামদুলিল্লাহ এখন তীব্র গরমেও মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢেকে রাখলেও আমার কোন অসুবিধা হয় না। আমি গরম লাগার দোহাই দিই। কিন্তু ওইদিন কি হবে যেদিন সূর্য মাথার এক হাত উপরে থাকবে। আল্লাহ্‌ মাফ করুন। ]
আপারা,আরো কয়েকটা uncensored কথা বলি। এটা জানেন তো যে মানুষ(অধিকাংশ) খুব সহজেই বোর হয়ে যায় আর নতুন কিছু খুঁজতে থাকে যা তাকে আনন্দ দেবে। পশিমাদের মধ্যে হোমসেক্সুলালিটি এত বেশি এর কারন নিয়ে কখনো চিন্তা করেছেন? কেন যেখানে চাইলেই মানুষ আপনার বিছানায় আসতে রাজী সেখানে কেন মেয়ে মেয়ের সাথে ছেলে ছেলের সাথে যেতে চায়? এরা নারী দেহ দেখতে দেখতে ক্লান্ত। এদের রূচি আস্তে আস্তে বিকৃত হয়ে গেছে। এখন তারা নিজেদের মধ্যে থেকেই সংগী খোঁজে। আল্লাহ্‌ মাফ করুন। হেদায়েত দিন।
আপারা, আমার লেখা এলোমেলো হচ্ছে আমি জানি। রেগে আছি তো তাই।
একটা কথা বলি শোনেন। আপনি মানুষকে যা দেখাবেন তা দেখেই তারা আপনার মূল্যায়ন করবে। মানুষের শরীরের সৌন্দর্য এক সময় শেষ হয়ে যায়। তাই আজকে যারা আপনাকে বলছে, তোকে তো দারুন লাগছে/ আপনার ফেসবুকের ছবিতে প্রশংসার পর প্রশংসা করে যাচ্ছে...... আর এই সব দেখে আপনি খুশিতে ডগমগ করেন।।আজ থেকে ২০ বছর পরের কথা চিন্তা করেন...এই ছেলেরা তখন ৩৮/৪০ ....তখন আপনার প্রশংসা করবেনা। তারা কিন্তু ঠিকই ১৬-২৫ দেরকেই খুঁজবে।
কিন্তু আপারা, একটা কথা জানেন? মনের সৌন্দর্য শেষ হয় না। মন জরাগ্রস্ত হয়না। একটা সুন্দর মন, শালীন দেহ সর্ব কালে সর্ব যুগে প্রশংসিত। আজকের বোরকা পরা মেয়েকে দেখলে যেমন আপনার যারা প্রশংসা করে সেই ছেলেরাও মাথা নামিয়ে নেয়,আমার দাড়ি টুপি ওয়ালা ভাইরাও নামিয়ে নেয়। আজ থেকে ২০ বছর পর দেখলেও তারা দৃষ্টি নামিয়ে নিবে, ইনশাআল্লাহ। আমার এই বোনেরা আজকেই সম্মানিত। কালকেও থাকবে ইনশাআল্লাহ্‌। আর আপনাদের কি হবে? আজকে আপনারা যাদের চোখ জুড়াচ্ছেন কাল তারা আপনার দিকে তাকাবেই না। আর সম্মান??? সেটা আজকেও কেউ আপনাদের করেনা, ভবিষ্যতে করবে কি আল্লাহ্‌ ভাল জানেন।
আপারা, চাকরানী চেনেন??? দাসী চেনেন??? আপনার হলেন পুরুষদের চাকরানী নয়তো মেকাপের দাসী। ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নিয়ে এত সাজ গোজ যে করেন...পরে তো সেগুলো তত কষ্ট করেই ঘষে ঘষে তুলে ফেলতে হয়। কি লাভ এই কৃত্তিমতার?
এই যে একেকজন ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং , ভার্সিটিতে পড়ছেন অথচ নিরেট মূর্খের মত আচরণ কেন করছেন?
আপনার এত এত বিদ্যা আপনাকে কেন রঙ চঙ্গের আশ্রয় নেয়া থেকে বাঁচাতে পারেনা???
কেন অফিসে/অফিসিয়াল কনফারেন্স/কনভোকেশন/নবীন বরণ/ ফেয়ারওয়েলে যাবার আগে আপনার নিজের চেহারায় এত ঘষা মাজা করতে হয়? এসব যায়গার তো আপনি আপনার লেখাপড়ার কল্যানেই যাচ্ছেন তাই না? তাহলে কেন সব কিছু ছাপিয়ে আপনার সাজ গোজ সেখানে প্রাধান্য পাবে???
কি করলেন এত লেখাপড়া করে যা আপনার মানসিকতাকে বদলাতে পারেনি?
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে পড়েও কেন আপনাকে ছোট ছোট কাপড়, কিছু রঙ চঙ্গের উপর নির্ভরশীল হতে হয়। বলতে পারেন?
আপারা বলেন তো দেখি আপনার এক মাসের পার্লারের খরচ দিয়ে কয়জন ক্ষুধার্ত মানুষকে খাওয়ানো যায়? আচ্ছা ধরলাম চালের কেজি ৫০ টাকা। ২০০০ টাকা হলে এক মণ চাল হয়। একটা ছোট পরিবারের ১৫-২০ দিনের খাবার ব্যবস্থা হয়ে যায়। কোনদিন ৫০০ টাকা খরচ করে ১০ কেজি চাল কিনে কোন দরিদ্র মানুষকে দেয়ার কথা ভেবেছেন কখনো? অথচ আপনার পা ঘষে দিলেই আপনি ৫০০ টাকা পার্লারে দিয়ে আসেন। কি আশচর্য! আপনি যখন পা দলাই মলাই করে নিচ্ছে তখন কোথাও কোন সনাবরু না খেতে পেয়ে গলায় দড়ি দিচ্ছে।
আপনি যখন সেজে গুজে বন্ধু বান্ধবের সাথে নবীন বরণ বা ফেয়ারওয়েল এ নাচানাচি করছেন তখন আপনার বোন আফিয়া সিদ্দিকা/ফাতিমেকে প্রতি রাতে ১০ জন মার্কিন সৈন্য ধর্ষন করছে।RAPE. কখনো এদের জন্য আপনার চোখে পানি এসেছে? একবার চিন্তা করুন তো, আপনাকে বানরের মত খঁচায় রাখা হয়েছে যেখানে আপনি সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারেন না, আপনার গায়ে কাপড় পর্যন্ত রাখা হয় নি, আপনার সামনে আপনার দুই সন্তানকে জবাই করা হয়েছে,আপনার একটা একটা করে চুল টেনে টেনে উপড়ে ফেলা হয়েছে, আপনার পেটে গুলি করা হয়েছে, ইলেক্ট্রিক শক দেয়া হয়েছে, তার সাথে সাথে যখন তখন আপনাকে ধর্ষন করা হচ্ছে। কি ...বেশি বলে ফেললাম???
__________________________________________________________
[ফাতিমার চিঠি।][কপি পেষ্ট করলাম]
একটি হাতে লেখা দলিল সম্প্রতি ইরাকের আবু গারীব কারাগার থেকে উদ্ধার হয়। ফাতেমা ঐ এলাকার একজন খ্যাতিমান মুজাহিদের বোন। আমেরিকান সৈন্যরা কিছুদিন পূর্বে ঐ মুজাহিদের বাড়িতে হটাত হামলা চালায়। কিন্তু তাকে পায় না। তারা তার বোনকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় যেন ঐ মুজাহিদ নিজ থেকে ধরা দেয়।ফাতেমার মূল চিঠিটি এখানে দেয়া হল যা মাফকারাট আল ইসলামে(আরবী নিউজ এজন্সি) ইংরেজী অনুবাদসহ আরবীতে ছাপা হয়েছিল।
ফাতেমার চিঠি
পরম করুনাময় আল্লাহতায়ালার নামে
(হে মুহাম্মদ) তুমি বলো, তিনিই আল্লাহ তিনি এক একক। তিনি কারোর মুখাপেক্ষী নন, তার থেকে কেউ জন্ম নেয়নি, আর তিনিও কারো থেকে জন্ম গ্রহন করেননি। আর তার সমতুল্য দ্বিতীয় কেউ নেয়।(সূরা আল-এখলাস)
আমি আল্লাহর গ্রন্থ আল-কোরআন থেকে হতে এই পবিত্র সূরাটি পছন্দ করেছি কারন এর দারুন প্রভাব পড়েছে আমার উপর এবং আপনাদের সবার উপরে ও বিশ্বাসীদের হদয়ের এক প্রকার ভয় ও শ্রদ্ধা মিশ্রিত বোধের জন্ম দেবে। আমার ভাই মুজাহীদিন আল্লাহর পথে আছে।আপনাদের আমি কি বলবো?
আমি আপনাদের বলছি : আমাদের গর্ভ বানর ও শূকুর জাতীয় লম্পটদের সন্তানে ভর্তি হয়ে আছে। যারা আমাদের ধর্ষণ করেছে। অথবা (আমি) আপনাদের বলতে পারি যে, তারা আমাদের দেহকে বিকৃত করেছে। আমাদের মুখমন্ডল জলসে দিয়েছে এবং আমাদের ঘাড়ে ঝোলানো কোরআনের ছোট কপিটি অযথা ছিড়ে ছিন্ন ভিন্ন করে ফেলেছে। আল্লাহু আকবার, আপনারা কি পরিস্থিতি অনুদাবন করতে পারছেন না? এটা সত্য আপনারা জানেন না আমাদের সাথে কি ঘটেছে। আমরা আপনাদের বোন। আল্লাহ হিসাব নিকাসের সময় ভবিষ্যতে এ সম্পর্কে আপনাদের জিজ্ঞাসা করবে। আল্লাহর কসম কারাগারে আসা পর্যন্ত আমাদের এমন কোন রাত কাটেনি যে রাতে বানর ও শুকুর জাতীয় অমানুষরা আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়েনি। তারা তাদের পূর্ণ স্বাদ মিটিয়ে নিস্তেজ হওয়া অবধি আমাদের দেহকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করতে থাকে। আমরাই তারা যারা আল্লাহর ভয়ে সব সময় সতীত্বকে কে রক্ষা করে এসেছি। আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের মেরে ফেলুন। আমাদের ধংস করে দিন। তাদের আনন্দ উপকরন হিসাবে আমাদের রেখে যাবেন না। এভাবে সর্বশক্তিমান আল্লাহর মহাকৃতিত্ব মর্যাদা সম্পন্ন করা হবে। আমাদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করুন। তাদের কামান ও উড়োজাহাজ গুলো বাইরে রেখে আসুন। আবু গারীব কারাগারে আমাদের কাছে আসুন। আমি আপনাদের ধর্ম বোন। তারা আমায় একদিন নয়বারেরও বেশী ধর্ষন করেছে। আপনারা কি অনুধাবন করতে পারছেন? চিন্তা করুন আপনাদের এজন বোন ধর্ষিত হচ্ছে। আপনারা কেন ভাবতে পারছেন না আমি আপনাদের বোন? আমার সাথে আরো ১৩ জন মেয়ে আছে। সবাই অবিবাহিত। সবাই সবার সামনে প্রকাশ্য ধর্ষিত হচ্ছে। তারা আমাদের নামায পড়তে দেয় না। তারা আমাদের পোশাকগুলো নিয়ে নিয়েছে। আমাদের কাপড় পরতে দেয়না। আমাদের মধ্যে একজন মেয়ে আত্নহত্যার প্রতিজ্ঞা করেছে। তাই আমি এই চিঠিটি লিখছি। সে নৃশংসভাবে ধর্ষিত হয়েছে। একজন সৈনিক তাকে ধর্ষনের পর তার বুক ও উরুতে আঘাত করেছে। সে অবিশ্বাস্য অত্যাচারের দ্বারা তাকে ভোগ করেছে। মেয়েটি তার মাথা জেলের দেয়ালে সাথে আঘাত করতে লাগল যতক্ষন না তার মৃত্যু হয়, মেয়েটি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলো না। যদিও ইসলামে আত্নহত্যা নিষিদ্ধ। কিন্তু আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আশা করছি আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। কারন তিনি(আল্লাহ) সবার প্রতি অসীম দয়ালু। ভাই আপনাদের আবারও বলছি আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের মেরে ফেলুন। তাহলেই আমরা হয়ত শান্তি পাব। সাহায্য করুন। সাহায্য করুন। সাহায্য করুন।
ড. আফিয়া সিদ্দিকা আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন স্নায়ু বিজ্ঞানী। অসামান্য ধীসম্পন্ন পি.এইচ.ডি ডিগ্রীধারী এ মহিলার সম্মানসূচক অন্যান্য ডিগ্রী ও সার্টিফিকেট রয়েছে প্রায় ১৪৪টি। যুক্তরাষ্ট্রের ব্রন্ডেইস বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে Neurology বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে। তিনি হাফিযে কুরআন ও আলিমা। পবিত্র কুরআন ও হাদীসে পারদর্শিনী এ মহিলা ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত দ্বীনদার ও পরহেযগার। ইসলামী আদর্শ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি রয়েছে তাঁর স্ট্রং কমিটমেন্ট। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফ.বি.আই পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় আল কায়েদার সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথিত অভিযোগে ২০০৩ সালে ড. আফিয়াকে তাঁর তিন সন্তান আহমদ, সুলায়মান, ও মরিয়মসহ করাচীর রাস্তা থেকে অপহরণ করে। পাকিস্তানের কোন কারাগারে না রেখে এবং পাকিস্তানী আদালতে উপস্থাপন না করে পাঁচ বছর ধরে তাঁকে আফগানিস্তানের বাগরাম সামরিক ঘাঁটিতে বন্দী করে রাখা হয়। এরপর চলে তাঁর উপর অমানুষিক শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন। বাগরামে কুখ্যাত মার্কিন কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিরা বলেছেন, ‘নির্যাতনের সময় একজন নারী বন্দির আর্তচিকার অন্য বন্দিদের সহ্য করাও কষ্টকর ছিল.........।
দেখুন আফিয়ার ছবি। অত্যাচারের আগের ও পরের ছবি।
জি, আফিয়া ,ফাতিমাদের সাথে এরকমই করা হচ্ছে। যেখানে তারা নিজেদের আব্রু বাঁচাতে পারছেনা সেখানে আপনি নিজের আব্রু বিলিয়ে দিচ্ছেন?
বোন...লজ্জা কর, ভয় কর আল্লাহকে।

Collected From
Sister
Shabnaj Mithila

যারা কষ্ট করে লেখাটি পড়লেন সবাইকে ধন্যবাদ । সবার কাছেই আমার অনুরোধ আপনার সব বন্ধুদেরও লেখাটি পড়ান। জোর করে হলেও পড়ান । কারন শুধু আপনি ভাল হলেই হবেনা, ঘুণে ধরা সমাজকে বাঁচাতে হলে সবাইকেই জানাতে হবে। যারা ভুল পথে ছিলেন তারা সঠিক পথের দিশা পাবেন লেখাটি পড়ে।তাই লেখাটি গ্রুপের মাধ্যমে শেয়ার করতে পারেন, কিংবা নিজের নাম দিয়ে অন্য কোথাও পোস্টও করতে পারেন, কারো কোন আপত্তি নাই। কারন লেখিকা হাততালি পাওয়ার আশায় পোস্টটি লেখেন নাই। লেখেছেন মানুষকে ভুল পথ থেকে ফেরাতে। তাই সবাই লেখাটি শেয়ার করেন, প্রিয় মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দিন।
বিঃ দ্রঃ-যদি আপনার জানা এমন কোন ঘটনা থাকে তাহলে লেখা পাঠাতে পারেন নিচের ইমেল ‍এ আপনার নাম সহ পোষ্টটি দেওয়া হবে।

Saturday, November 26, 2011

প্রতিটি মেয়ে এই লেখাটি পড়লে ভাল হয় ।

আমি জানি কার লেখা কপি পেষ্ট করা অপরাধ তার পর ও আমি লেখাটি কপি পেষ্ট করলাম কারন সবাইকে সতর্ক করার জন্য বিশেষ করে মেয়ে দের যেন সবাই একটু সতর্ক দৃষ্টি রেখে চলাফেরা করে । আমি আবার ও বলছি এই লেখাটির সব টুকুই কপি পেষ্ট করা।
অপরাধবিষয়ক সংবাদের পেছনে ছুটে বেড়ানোই ক্রাইম রিপোর্টারের কাজ। আর ঘটনার নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা অজানা তথ্য খুঁজে বের করে আনতে পারলে একজন ক্রাইম রিপোর্টারের ভালো লাগাটাও বেড়ে যায়। তখন ইচ্ছে জাগে, ওই ঘটনার আরো গভীরে ঢুকে আরো ভালো কিছু আবিষ্কার করার। একটা রিপোর্ট যত বেশি আলোচিত হয়, রিপোর্টারও তত বেশি
পুলকিত হন। তাঁর কাছে সাংবাদিকতা যতটা না পেশা, তার চেয়ে বড় হচ্ছে নেশা। আর এই নেশায় বুঁদ হয়েই ক্রাইম রিপোর্টাররা ছুটে বেড়ান সংবাদ সংগ্রহে। আবার এমনও অনেক সংবাদ থাকে, যার পেছনে রিপোর্টারকে ছুটতে হয় না। সংবাদই ছুটে আসে তাঁর কাছে। আর সেটি হয় আরো চাঞ্চল্যকর সংবাদ।

তেমনি একটি সংবাদ হঠা করেই সেদিন ছুটে এল আমার কাছে। ধর্ষণের সংবাদ। প্রথমে মনে হলো, এ আর নতুন কি? প্রতিনিয়তই এসব ঘটছে। প্রকাশও হচ্ছে। আমার মনে হয়, এমন কোনো দিন নেই, যেদিন পত্রিকার পাতায় ধর্ষণের কোনো সংবাদ প্রকাশ পায়নি। তবে ধর্ষণ সংক্রান্ত যে খবরটি সচরাচর চোখে পড়ে না, সেটি হচ্ছে ধর্ষকের শাস্তির সংবাদ।
যেটা বলছিলাম, ঢাকার মহানগর দায়রা জজের আদালত সূত্র থেকে একদিন খবর পেলাম, এক মর্মস্পর্শী ধর্ষণ ঘটনার। এক মা ও তাঁর কলেজ পড়ুয়া মেয়ের ধর্ষিত হওয়ার ঘটনা।
নেমে পড়লাম মাঠে। কিন্তু ঘটনার গভীরে ঢুকে শিউরে উঠলাম। আঁকে উঠলাম। হাহাকার করে উঠলাম। তারপর স্তব্ধ হয়ে গেলাম। কারণ, এ এমন এক ঘটনা যা বলা যায় না, লেখা যায় না, প্রকাশ করা যায় না সংবাদ আকারে। আমি নিশ্চিত, সেটা করতে পারলে হইচই পড়ে যাবে। বিবেকবানরা প্রতিবাদে ফেটে পড়বেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন। অন্য সংবাদ মাধ্যমগুলোও হুমড়ি খেয়ে পড়বে। কিন্তু শেষমেশ সবাই হাত গুটিয়ে নেবেন। মুখ বুজে যাবেন। সবাই বুঝবেন, কাজটি করলে আরো বেশি সর্বনাশ হয়ে যাবে ওই পরিবারটির।
ঘটনাটি পুরো জানার পর একজন সিনিয়র সাংবাদিকের সঙ্গে যখন পরামর্শ করলাম, তিনি শুনে অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠলেন। বললেন, 'কিসের রিপোর্ট! কিসের মামলা! ধর্ষকদের গুলি করে মারা উচিত।'
ভাবতে বসলাম কী করা যায়। এক সময় ঠিক করলাম, কিছু একটা লিখতেই হবে। অন্যভাবে। হোক না সেটা সাংবাদিকতার সংজ্ঞার বাইরে। সংজ্ঞার চেয়ে বিবেকের তাড়না অনেক বড়। এত কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকা যায় না। অসহায় পরিবারটিকে কোনো না কোনোভাবে সহায়তা করতেই হবে। তাই এই লেখা।

লিখতে বসে আবারও হাত থেমে গেল। কারো নামধাম লেখা যাবে না। ঘটনার শিকার মায়ের নাম ধরা যাক অভাগী, মেয়ের নাম হতভাগী; আর অভাগীর ভাইয়ের নাম দুর্ভাগা। এই দুর্ভাগা দেশের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক। এক নামে সবাই তাঁকে চেনে। মন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে গণমাধ্যমের সবাই। তাঁর ছোট বোন অভাগীর সন্তানদের মধ্যে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আর মেয়ে হতভাগী কলেজে পড়ে। অভাগী স্বামীর রেডিমেড গার্মেন্টসের ব্যবসায় সহযোগিতা করেন। বাসায় কর্মচারী রেখে পোশাক তৈরি করে সরবরাহ করেন বাজারে। ছোট ভাইয়ের বন্ধুরাও তাঁকে এ কাজে সহযোগিতা করে।

একদিন ছোট ভাইয়ের দুই বন্ধু এসে অভাগীকে জানাল, কোনো এক স্থানে কিছু কাপড় বিক্রির অপেক্ষায় মজুদ আছে। অভাগী ছোট ভাইয়ের দুই বন্ধুর সঙ্গে ছুটলেন। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হলো এই দুই বন্ধুর একজনের বাসায়। নির্জন জনশূন্য বাসা। ওরা জানাল, বাসার সবাই বেড়াতে গেছে। পাঁচতলা ভবনের এক ঘরে গুদাম। ঘরের অর্ধেকের বেশি জায়গা দখল করে আছে কাপড়ের স্তূপ। অভাগী হাতড়ে হাতড়ে কাপড় দেখতে লাগলেন। আর ঠিক এ সময়ই গুদাম ঘরের দরজা ভেতর থেকে আচমকা বন্ধ করে দিল ছোট ভাইয়ের এক বন্ধু।

কী ঘটতে যাচ্ছে বুঝে উঠতে পারলেন না অভাগী। পরে যখন বুঝলেন, তখন তিনি চিকার দিলেন। কিন্তু নিজের চিকারের প্রতিধ্বনি ছাড়া আর কারো সাড়া পেলেন না। ছোট ভাইয়ের দুই বন্ধুকে তিনি আপন ছোট ভাইয়ের মতোই জানতেন। স্নেহ করতেন। এক সময় ওদের পা ধরে সম্ভ্র্রম ভিক্ষা চাইলেন। বললেন, 'বড় বোন মায়ের সমতুল্য।' কিন্তু শত আকুতিতেও কাজ হলো না। ছোট ভাইয়ের বন্ধুদের দ্বারা ধর্ষিত হলেন অভাগী। একজন তাঁকে ধর্ষণ করল, আরেক বন্ধু সেই দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ করল। এই নির্যাতনের সাক্ষী হয়ে পড়ে রইল অভাগীর মতো ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া কিছু টুকরো কাপড়ের স্তূপ। অভাগী বাসায় ফিরে এলেন।

অভাগীর ঘরের দেয়ালে একটা বড় ঘড়ি টানানো। সেটার দিকে তাকিয়ে থাকেন অপলক। তাঁর কাছে মনে হয়, ঘড়ির কাঁটা ঘুরছে না। তবে সময় গড়িয়ে যায়। গড়িয়ে যায় অভাগীর চোখের পানি। কিন্তু থেমে যাচ্ছে জীবনের স্পন্দন। কী ঘটল এসব! ওরা শাসিয়েছে, কাউকে বললে ভিডিও চিত্র ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে। সিডি করে ছেলে আর মেয়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবার হাতে পেঁৗছে দেওয়া হবে। অভাগী তাই শুধুই কাঁদেন। কাউকে কিছুই বলেন না। শুধু কাঁদেন আর কাঁদেন। আর সুযোগ পেলেই ওদের কাছে অনুরোধ করেন, ভিডিওর ছবিগুলো ফেরত দিতে। কত শতবার যে অনুরোধ করেছেন, তার হিসাব নেই। তবে হিসাব আছে, ওই ভিডিও ফেরত দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাঁকে আর কতবার ধর্ষণ করেছে ছোট ভাইয়ের সেই দুই বন্ধু। কিন্তু ফেরত পাননি ভিডিও চিত্র।

দিন যায়। অনেকটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে বসেন অভাগী। বাড়ির সবাই জানতে চান, কী হয়েছে। অভাগী কিছুই বলতে পারেন না। কী বলবেন? মেয়ে হতভাগীও মাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিছু একটা যে হয়েছে, বুঝতে পারেন হতভাগী। কিন্তু কী হয়েছে, বুঝে উঠতে পারেন না। একদিন মামার সেই দুই বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয় হতভাগীর। মামার বন্ধু, ওরাও মামা। মা হতভাগীকে নিষেধ করেছিলেন ওদের সঙ্গে মিশতে। দুই বন্ধু হতভাগীকে বলে, তারা বিষয়টা জানে। এরপর হতভাগীকে দুই বন্ধু জানায়, তার মা কারো সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিল। তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ছবি ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে। সেই ভিডিও উদ্ধারের আশ্বাস দিয়ে হতভাগীকে বিশেষ একটা দিনক্ষণ বলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে দুই বন্ধু।

বাসায় ফিরে আসে হতভাগী। মুখোমুখি হয় অভাগীর। অগি্নশর্মা। ভাবে, এই কারণেই হয়তো মা তাকে ছোট মামার ওই বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে বারণ করেছিলেন।

মাকে কিছু বলতে গিয়েও বলে না হতভাগী। কী বলবে? কাউকেই কিছু বলে না সে। গোপনে শুধু গুমরে গুমরে কাঁদে। মায়ের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেয় হতভাগী। এক ঘরে বসে কাঁদেন হতভাগী, আরেক ঘরে কাঁদেন অভাগী।

এরপর আসে সেই দিনক্ষণ। হতভাগী ছুটে যান ওই দুই জনের কাছে। মায়ের ছবির সিডি দেওয়ার কথা বলে হতভাগীকে ওরা নিয়ে যায় এক নির্জন বাড়িতে। সেখানে ধর্ষিত হন হতভাগীও। সেই একই কায়দায়। ধারণ করা হয় ভিডিও চিত্র। হতভাগীও বাসায় ফিরে আসেন। পরে একাধিকবার ভিডিও চিত্র ফেরত আনতে গেলে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। ওই বন্ধুদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। বাড়তে থাকে নির্যাতনের পালা। কিন্তু হতভাগী আর ফেরত পায় না ভিডিও সিডি।

এবার বুঝতে পারে হতভাগী। মাকে তাহলে তিনি ভুল বুঝেছিলেন? এটা বুঝলেও হতভাগী বুঝে উঠতে পারেন না, তিনি এখন কী করবেন। অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। নিজের ঘরকে তাঁর নরক মনে হয়। একদিন কাউকে কিছু না বলে একটা চিরকুট লিখে ঢাকারই এক মহিলা হোস্টেলে গিয়ে ওঠেন হতভাগী। অনেক বুঝিয়ে তাঁকে আবার বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বাসায় ফিরে আরো অসুস্থ হয়ে পড়েন হতভাগী। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন অনেকটা।

এভাবে কেটে যায় আরো কয়েক মাস। ঘরে চরম অশান্তি। গৃহকর্তাও বুঝে উঠতে পারেন না কী হয়েছে তাঁর স্ত্রী ও কন্যার। এক সময় মা-মেয়ে মুখোমুখি হন। তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, নিজেদের নিরাপদে রেখে এর একটা বিহিত করবেন। কিন্তু কীভাবে? থানা-পুলিশ করলে জানাজানি হয়ে যাবে। পরিবারের সবারই মরণ ডেকে আনবে এই ঘটনা। কাউকে বলারও জো নেই। হতভাগীর কলেজ যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বিয়ে থা হবে না। বন্ধ হয়ে যাবে ভাইয়ের ভবিষ্য। সমাজে মুখ দেখানোর অবস্থা থাকবে না। কিন্তু কাউকে কিছু না বললেও তো আর চলছে না। এ ভাবে আর কতদিন?

শেষ পর্যন্ত পরিবারের ঘনিষ্ঠ এক বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে ঘটনাটি জানানো হয়। ওই ব্যক্তির সঙ্গে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্পর্ক আছে। আর এভাবেই ঘটনাটি পুলিশের কাছে আসে।

সব জেনে বিস্মিত পুলিশও। কিন্তু তারাই বা কী করবে? মামলায় গেলে ঘটনা কতদিনই

বা গোপন রাখা যাবে? আর জানাজানি হলে এই সমাজ কখনও বলবে না, অভাগী আর হতভাগী পরিস্থিতির শিকার। বলবে না, যা ঘটেছে সেটা নিছক একটা দুর্ঘটনা। বরং ঘটবে এসবের উল্টো।
বিপাকে পড়ে যান পুলিশ কর্মকর্তা। তাই বলে এ ধরনের অপরাধীদের ছেড়েই বা দেবেন কেন? সিনিয়র দুই-একজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এতদিন পর অভাগীর উদ্বিগ্ন স্বামী ও সাংবাদিক ভাইকে জানানো হয় ঘটনা। এরপর থানায় মামলা দায়ের হয়, অতি গোপনে। গ্রেপ্তার করা হয় ওই বন্ধুদের তিন জনকে। তাদের আদালতে হাজির করা হয়। সবই হয় অতি গোপনে। একটি মানবাধিকার সংগঠনও হাত বাড়ায় সহযোগিতার। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী দুই ব্যক্তি ব্যস্ত হয়ে ওঠেন ধর্ষকদের রক্ষা করতে। তারপর জামিন পেয়ে যায় তিন ধর্ষক। এদের একজন একটি বেসরকারি কলেজের আইনের ছাত্র। অন্য দুজন গার্মেন্টসের টুকরো কাপড়ের ব্যবসা করে।

দুই প্রভাবশালী ব্যক্তির হস্তক্ষেপ আর জামিনের ঘটনায় অবাক হয়ে যায় অসহায় পরিবারটি। হতবাক হয় পুলিশও। আইনজীবীরাই বা কী করবেন? আদালতে তাঁরা সোচ্চার হতে পারেন না, জানাজানির ভয়ে। একই কারণে প্রচারমাধ্যমকে জানানো যাবে না। পুলিশকেও কাজ করতে হচ্ছে গোপনে। একটু ভুল হলেই অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।

যোগাযোগ করি ওই মানবাধিকার সংস্থার প্রধানের সঙ্গে। তিনি বললেন, সমাজ আর বাস্তবতার নিরিখে এ ব্যাপারে এই মুহূর্তে তিনি কিছুই বলতে ইচ্ছুক নন। একটা সুন্দর সময়ের অপেক্ষায় আছেন তাঁরা। প্রয়োজন হলে তিনি মুখ খুলবেন।

এদিকে জামিনে ছাড়া পেয়ে আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে গেছে ধর্ষকরা। তারা এর প্রতিশোধ নেবে বলে হুমকি দিচ্ছে। হুমকি পেয়ে হতভাগী আর অভাগী আইনের আশ্রয় নিতে পারছেন না। তাঁরা এখন নিজ ঘরে বন্দি। বাইরে বের হতে ভয় পান। কী করবেন এখন এই দুই নির্যাতিতা?

এদিকে অভাগীর ভাই দুর্ভাগার অবস্থাও কম করুণ নয়। অসহায় মানুষের অধিকার আদায়ে যিনি সোচ্চার, তিনিই আজ সবচেয়ে অসহায়। কতজনার সংবাদ পরিবেশন করেন তিনি! কত মানুষের কত সুখ-দুঃখের কথা বলেন! কত অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদে ফেটে পড়েন সাংবাদিকতার হাতিয়ার নিয়ে! অথচ নিজের ঘরে আজ যে মর্মন্তুদ সংবাদ রচিত হয়েছে, তা তিনি চাপা দিয়ে রেখেছেন নীরব কান্নায়। সব রাগ, সব ক্ষোভ, সব আগুন আজ কষ্ট হয়ে গলে পড়ে চোখের জলে। একজন সাংবাদিকের জীবনে এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আর কী হতে পারে?

============

এই ধরনের দূর্ভাগ্য আর কোন পরিবারে নেমে না আসুক সেটাই সবার কামনা। সেই সাথে আমাদের নিজেদেরও সতর্ক হতে হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কঠোর হতে হবে এবং সংযত হতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং প্রতিবাদী হতে হবে। চুপ করে সহ্য করে গেলে সর্বনাশ হতে পারে অন্য কারোও।

সংগৃহীত:-http://www.facebook.com/notes/syed-ayon/প্রতিটি-মেয়ে-এই-লেখাটি-পড়লে-ভাল-হয়/320508451308364সংগৃহীত

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More